1. dailyjonotarkontho01@gmail.com : দৈনিক জনতার কন্ঠ : দৈনিক জনতার কন্ঠ
  2. dailyjonotarkonthonewseditor@gmail.com : Mr Masud Rana : Mr Masud Rana
  3. live@www.dailyjonotarkontho.com : দৈনিক জনতার কন্ঠ : দৈনিক জনতার কন্ঠ
  4. info@www.dailyjonotarkontho.com : দৈনিক জনতার কন্ঠ :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
হরিপুরে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন হারেজ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আজ ভোরে আবারও কেঁপে উঠল দেশ আজ পবিত্র শবে বরাত: পুণ্যময় রজনীর আহ্বান রাজশাহী তানোরে বিএনপির ধানের শীষের পক্ষে হোক ভোট প্রতিটি পরিবারে এই আহ্বান ও বৃহৎতম মিছিল এবং পথসভা। দেশজুড়ে শক্ত অবস্থানে জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার চট্টগ্রাম মহানগর ১৭ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা রাজশাহী প্রেসক্লাবের বার্ষিক মিলনমেলা ও বনভোজন আজ হরিপুরে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত গাজীপুর কোনাবাড়ী আমবাগে আটো রিক্সা ছিনতায়ের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন।

বিজ্ঞাপন দিন

বরগুনায় পানির স্রোতে গ্রাম আলোকিত করছে মনিরের উদ্ভাবন / দৈনিক জনতার কন্ঠ

বরগুনা প্রতিনিধিঃ-
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট, ২০২৫
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে
৯৯

বরগুনা প্রতিনিধিঃ-

বরগুনা সদর উপজেলার পুরাকাটা গ্রামে পায়রা নদীর স্লুইস গেটে জোয়ারের স্রোতকে কাজে লাগিয়ে অভিনবভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছেন স্থানীয় জ্বালানি তেল বিক্রেতা মো. মনিরুল ইসলাম। নিজের ওয়ার্কশপে তৈরি বিশেষ যন্ত্র পানির চাপে ঘুরে সেই গতিকে রূপান্তর করছে বিদ্যুতে। কোনো জ্বালানি খরচ ছাড়াই এই বিদ্যুতে একসাথে জ্বলছে অর্ধশতাধিক বাতি।

স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দিনে দু’বার জোয়ারের সময় নদীর পানির স্রোত বেড়ে যায়। এর ফলে ২৪ ঘণ্টায় ১৫ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। প্রকৃতির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই উদ্যোগ এখন গ্রামীণ উন্নয়নের এক অনুপ্রেরণার গল্পে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ছগির হোসেন বলেন, “আমরা আগে ভাবতেও পারিনি নদীর স্রোত দিয়ে আমাদের গ্রাম আলোয় ভরে উঠবে। মনির ভাই সত্যিই অসাধারণ কাজ করেছেন।”

ওয়ার্কশপ মেকানিক মো. জাহিদ জানান, “এটি খুবই সাশ্রয়ী একটি পদ্ধতি। বড় আকারে বাস্তবায়ন হলে খরচ আরও কমবে এবং অনেক বেশি মানুষ উপকৃত হবে।”

মনিরুল ইসলাম বলেন, “মাত্র তিন মাসের প্রচেষ্টায় এবং প্রায় ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে এই প্রযুক্তি বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। গ্রামবাসীর সমর্থন ও উৎসাহ আমাকে শক্তি দিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রযুক্তি দেশের জন্য সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। পর্যাপ্ত সুযোগ ও সহযোগিতা পেলে দেশের যেকোনো স্রোতধারায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিনামূল্যে গ্রাম আলোকিত করা সম্ভব।”

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, “মনিরুলের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি প্রমাণ করে, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তি থাকলে সীমিত সম্পদ দিয়েও বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগে সহযোগিতার সুযোগ থাকলে আমরা অবশ্যই পাশে থাকব।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
সর্বসত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক জনতার কন্ঠ-২৪/২০২৫ আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার আইনত অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট