1. dailyjonotarkontho01@gmail.com : দৈনিক জনতার কন্ঠ : দৈনিক জনতার কন্ঠ
  2. dailyjonotarkonthonewseditor@gmail.com : Mr Masud Rana : Mr Masud Rana
  3. live@www.dailyjonotarkontho.com : দৈনিক জনতার কন্ঠ : দৈনিক জনতার কন্ঠ
  4. info@www.dailyjonotarkontho.com : দৈনিক জনতার কন্ঠ :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
হরিপুরে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন হারেজ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আজ ভোরে আবারও কেঁপে উঠল দেশ আজ পবিত্র শবে বরাত: পুণ্যময় রজনীর আহ্বান রাজশাহী তানোরে বিএনপির ধানের শীষের পক্ষে হোক ভোট প্রতিটি পরিবারে এই আহ্বান ও বৃহৎতম মিছিল এবং পথসভা। দেশজুড়ে শক্ত অবস্থানে জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার চট্টগ্রাম মহানগর ১৭ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা রাজশাহী প্রেসক্লাবের বার্ষিক মিলনমেলা ও বনভোজন আজ হরিপুরে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত গাজীপুর কোনাবাড়ী আমবাগে আটো রিক্সা ছিনতায়ের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন।

বিজ্ঞাপন দিন

পুলিশ কনস্টেবলের তিনটি বিয়ে, সবখানেই যৌতুক দাবি, তালাক ও নির্যাতনের অভিযোগ

মেহেদী হাসান অন্তর | নওগাঁ প্রতিনিধি |
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে
৪৩

 

মেহেদী হাসান অন্তর | নওগাঁ প্রতিনিধি |

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় পুলিশ কনস্টেবল পাপেল হাসানের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, যৌতুক দাবি এবং স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তুলে তৃতীয় স্ত্রী হাফিজা আক্তার আঁখি সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

রবিবার দুপুর ১২টায় বদলগাছীর বিষ্ণুপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে হাফিজা আক্তার। তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর পারিবারিকভাবে পাপেল হাসানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় তার পরিবারের কাছ থেকে বাড়ি মেরামতের কথা বলে ৭ লাখ টাকা যৌতুক নেওয়া হয়। বিয়ের পর পাপেল কর্মস্থল বগুড়ায় থাকাকালীন তারা ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে সুস্থ হওয়ার পর তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে ভাড়া বাসা ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, ৭ মাস পর পাপেলের নতুন কর্মস্থল বগুড়ার সারিয়াকান্দির চন্দন বাইশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ওঠার পর সংসার শুরু হলেও সেখানে কোনো খরচ দিতেননা পাপেল। এরপর শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। বিষয়টি জানিয়ে শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

হাফিজা আক্তারের দাবি, পরে পাপেল আবারও ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় মারধর করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন এবং ভরণপোষণ বন্ধ করে দেন। এরপর তালাক দেওয়ার হুমকি দেয়। কিছুদিন পর হাফিজা জানতে পারেন, পাপেল এর আগেও দুটি বিয়ে করেছেন এবং যৌতুকের জন্য তাদেরও তালাক দিয়েছে। একই কৌশলে তাকে গোপনে তৃতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন।

তিনি জানান, এসব ঘটনায় তিনি বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার, পাবনা পুলিশ সুপার, রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টারেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু কোনো পক্ষই এখনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। বরং তাকে মৌখিকভাবে বলা হয়েছে বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসা করতে।

পাপেলের প্রথম স্ত্রী সোনালী আক্তার বলেন, পাপেলের পরিবারের অবস্থা ভালো ছিল না। পুলিশে চাকরির জন্য তার বাবার কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা নেওয়ার পর তাদের বিয়ে হয়। কিন্তু কিছুদিন পরই পাপেল তালাক দিয়ে নতুন জীবন শুরু করেন। তিনি দাবি করেন, পাপেল একজন অর্থলোভী মানুষ।

এ ব্যাপারে পাপেল হাসান তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন- আমি সরকারি চাকরি করি কেন তাকে ভরণ-পোষণ দিবো না। এ বিষয়ে হাফিজা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন বলে শুনেছি। সেসব বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। এর বেশি কিছু বলতে চাইনা।

অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- ভুক্তভোগী হাফিজা আক্তার আঁখির বাবা রকিব উদ্দিন, চাচা রফিকুল ইসলাম ও চাচাতো ভাই জহুরুল ইসলামসহ আরো অনেকে।#

 

নওগাঁ।

১৩.১০.২৫

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
সর্বসত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক জনতার কন্ঠ-২৪/২০২৫ আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার আইনত অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট